সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তুমি দেখতে চাঁদ

অনন্যা ;  তুমি দেখতে চাঁদ,  যেনো মায়া আটকানো ফাঁদ  তুমি দেখতে ফুল, যেনো অন্যত্র তাকানো ভুল  তোমার স্পর্শে হয়েছি যাযাবর,  আগলে রেখেছি স্মৃতি জীবনভর  হয়েছি বহুবার দিশেহারা,  তোমার স্মৃতি খুজতে গেলে হয়ে যাই নীর হরা  ~ শাহাদাৎ 
আমি হেটে হেটে গেলাম দুর্গম পথ দিয়ে হঠাৎ দেখা লালচে কৃষ্ণচূড়ার সাথে  একা দারিয়ে সে নির্জনে নিঃশব্দে, নেই কোলাহল নেই জনমানব  হাওয়ায় সে কথা বলে, ফুল ঝড়ে চুপিসারে  অদ্ভুত এক কৃষ্ণচূড়া, হয়তো সেও কারও অপেক্ষায়  ~ শাহাদাৎ
দিন শেষে রোড লাইটের আবছা আলোয় একা দারিয়ে  অভিশপ্ত হৃদয়ে দীর্ঘশ্বাস টেনে স্নিগ্ধ স্বরে বলিয়া উঠি আর কিছু আছে যাইবার মতো, সবই তো গেলো রাখিতে তো পারিলাম না দুহাত বাড়িয়েও ~ শাহাদাৎ খান ( ইমাজিনেশন)
প্রিয়তম,  ভালোবাসি শুনতে চাওয়া ক্ষুধার্ত হৃদয় যখন নিদ্রায় গমন করে, তখন সেই ক্ষুধার্ত হৃদয়ের যন্ত্রণা কি অন্য হৃদয় বুঝতে পারে?   ~ শাহাদাৎ খান ( বাস্তব ও লেখক ইমাজিনেশন)
তুমি আসবে না বলে,  ওই পাহাড়ে আজ ঝর্ণা বয়ে চলে না  বৃষ্টির মেঘ আর বৃষ্টি নিয়ে আসে না,  তুমি আসবে না বলে, ওই পথ ধরে আর পথিক ছুটে চলে না ভোরের কুয়াশায় কোকিলেরা আর সকালের সুর তুলে না, কেবল তুমি আসবে না বলে। ~ শাহাদাৎ
এই যে দেখো বইছে অঝোর বৃষ্টি ধারা ,  কোনোরূপ বিধিনিষেধ ছাড়া এই যে দেখো বৃষ্টি হচ্ছে রোজ তবুও আমি পেলাম না তোমার খোঁজ।  ~ শাহাদাৎ
আহা অঝোর বৃষ্টি ধারা, শীতল ধমকা হাওয়া  এ বুঝি!   আকাশ জুড়ে অভিমানী মেঘদলের উড়ে যাওয়া ।  ~ শাহাদাৎ (অঝোর বৃষ্টি)
একদিন কেটে যাবে সব ক্লান্তি,  ভুলে যাবে আমায় নিয়ে সকল স্মৃতি  গেঁথে থাকবে মায়ার আড়ালে অজস্র ভ্রান্তি।  ~ শাহাদাৎ খান
যদি শুনতে পাও, আমার আর্তনাদ ও হতাশা  ভেবে নিও!  প্রতিহিংসা আর অবহেলায় হারিয়েছি ভরসা। এ শহরে তুমি আছো আমি নেই।    তোমাকে আর পাইলাম কই.? যদি শুনতে পাও , আত্মত্যাগে হইয়াছি নিঃশেষ কোনো বিষন্ন মায়ায় খুঁজিও আমায় কোনো নক্ষত্রে কিনবা জোৎস্না রাতে বৃক্ষের ছায়ায়, ~ শাহাদাৎ ( যদি শুনতে পাও)
যদি আমায় ভুল ক্ষনে মনে পড়ে, ভেবে নিও,  এক তিতিক্ষার চিত্র হয়ে ভেসে আছি শ্যাওলা জমা পুকুরটাতে। আড়াল হয়ে আছি তোমার গায়ে পড়া বৃষ্টিটাতে,  আনমনে ঝড়ে পড়া একবিন্দু আঁখির আশ্রুটাতে। ~ শাহাদাৎ খান
ভালো থাকার আকুতি ঝর্নায় হৃদয় অনিরূদ্ধ,  অদ্ভুত শহর, বিকৃত আকাশ, বিবর্ণ আমি নির্জনতার ছোঁয়ায় শীতল হাওয়া না ফেরা তুমি। ~ শাহাদাৎ খান
নিঃসঙ্গ নক্ষত্র  একা দারিয়ে নির্জন আকাশে বৃষ্টি এলে হারিয়ে যাই ক্ষনিক অব্দে, মেঘেরা চলে গেলে বেড়িয়ে পরি নিঃশব্দে। ~ শাহাদাৎ খান
তুমি অন্যের চায়ে জোৎস্না মিশিয়ে দিও, কোন এক অচেনা হৃদয়ে স্বপ্ন কুড়িয়ে নিও।  তোমার আঙিনায় আগাছা হয়ে জন্মবো, হয়তো অপ্রয়োজনীয় হয়ে নর্দমায় হারাবো। ~ শাহাদাৎ খান
হঠাৎ কুড়ি বছর পরে একদিন,  পুরোনো ডায়েরি খুলে পড়ে নিবে আমাকে  মনে পরবে অবহেলায় মুছে যাওয়া স্মৃতিগুলো সেদিন হঠাৎ কুড়ি বছর পরে একদিন,  মনে পরবে আমায় দেখোনা, হলো সেই বহুদিন হঠাৎ কুড়ি বছর পরে একদিন,  তোমাতে সিক্ত আমিটা অপূর্ণতার স্রোতে থাকবো চিরদিন  হঠাৎ কুড়ি বছর পরে একদিন,  অনাবিল আনন্দে বিমোহিত তুমি, আমি নেই কতোদিন।  হঠাৎ কুড়ি বছর পরে একদিন ভাবছ  হয়তো অতীত ছিলো ভালো, ভেবে তুমি কাঁদছ। ~ শাহাদাৎ ( হঠাৎ কুড়ি বছর পরে একদিন)
এক জোৎস্না নামা রাতে, কনকনে শীত, সুদুরে এক পরিত্যক্ত গৃহের জানালায় প্রদীপ জ্বলে  চাদর মুড়ি দিয়ে বসে আছে লেখক,হাতে তার কলম আর ধুলোমাখা ডায়েরি, ক্লান্তিগুলো আড়ালে।  ~ শাহাদাৎ ( ক্লান্তির সারমর্ম)
আধার রাত, মৃদু হাওয়া  একা জানালা, ক্ষুদার্ত দৃষ্টি ।  নিস্তব্ধ শহর, নিঃসঙ্গ লেখক  সুদূর সীমান্তে ক্লান্তির বৃষ্টি। ~ শাহাদাৎ খান
মেয়ে- প্রান দিয়েছি বিলীন করে আরকিছু কি বাকি? তোমার হাসির মায়ায়,আমি জোৎস্না ভুলে থাকি। শাহাদাৎ খান ---
এই যে, আপনি অভিমান করেন, ছেড়ে যাওয়ার আক্ষেপ তুলেন,  আপনি কি, আড়ালে থাকা ক্ষত বিশিষ্ট হৃদয় কে বুঝতে পারেন ?.. বলেন?  এই যে, আপনি অভিমান করেন,  আঘাতে চূর্ণবিচূর্ণ দর্পণকে পূনরায় কি পূর্বেরন্যায় জোরা লাগাতে পারেন.?  এই যে, আপনি অভিমান করেন,  কেনোকিছু বিবেচনা না করে বিরামহীন অপেক্ষায় উপেক্ষা করেন,  ~ শাহাদাৎ
বিস্তৃত নীল ক্ষেত, ওপারে বুঝি আকাশ নেমেছে, তৃনমুলে শীতল অনুভূতি, পায়ে বুঝি শিশির জমেছে, ~ শাহাদাৎ খান
ঘন কুয়াশা,পেছনে চাঁদ, পাখিদের পাহারা, শেকড় দিয়ে বাঁধা শতইচ্ছে, বৃক্ষ বুঝি নীরহারা সুদূর সীমান্তে আবছা আলোয় একা দারিয়ে তারও বুঝি ইচ্ছে হয় ওই মেঘের শহরে যেতে হারিয়ে। লেখক হৃদয়ে কোটি অভিযোগ বেদনাগুলো নিরীহ। নির্জন গৃহ,জানালা দিয়ে ঠান্ডা হাওয়ার প্রবাহ বৃক্ষের অদ্ভুত আর্তনাদ, লেখকের নিঃশব্দ দীর্ঘশ্বাস 'আহারে'..... সুখেরা কি বন্ধি আছে.? ওই মেঘের সংস্পর্শে দরানো পাহারে। ~ শাহাদাৎ খান
এক সমুদ্র পাওয়ার আক্ষেপে, বিন্দু মাত্র মিথ্যে ছিলো না কি অদ্ভুত! তোমাকে যে চাইলো , তুমি তাকে চাইলা না। ~ শাহাদাৎ
একটা হৃদয়বিদারক স্মৃতি বলার ছিলো একটা হারিয়ে ফেলা নির্জাস গল্প ছিলো। একটা ভুলের মাঝে কোটি মায়ার সংমিশ্রণ ছিলো। ~ শাহাদাৎ খান
কি একটা অদ্ভুত সংলাপের মধ্যে দিয়ে ছুটে চলছি প্রতিনিয়ত, তবুও আস্যাস নিয়ে বসে থাকি, পরিশেষে কিছু উপেক্ষা কুড়িয়ে ফিরে আসি।  ~ শাহাদাৎ খান
হঠাৎ একদিন, ভুল করে ফুল ভেবে, আচমকা দৃষ্টিতে দেখে নিবো আপনাকে  নিস্তব্ধ আঁখি, নিঃসৃত নিরব দীর্ঘশ্বাসে উপেক্ষা কইরেন আমাকে  হঠাৎ একদিন,  খুব ভোরে কুয়াশার বুকে উষ্ণতার চাদরে রাঙিয়ে দিয়েন বিশালতাকে, নিঃশব্দে, বিবৃতিতে নিজেকে আড়াল করে, দেখিয়ে দিবো বিস্তীর্ন নিরবতাকে। ~ শাহাদাৎ ( হঠাৎ একদিন)
অনুপমা চারদিকে ঘন কুয়াশা,জোৎস্নার আবছা আলো, শিশির মাখানো তোমার নুপুর,  আমি নেই কোথাও, কেমন কাটবে তোমার ওই শিশির বিলীন দুপুর?  অদ্ভুত উদ্বত প্রশ্ন করো যখন, আমি দুচোখ বুজে অনুতপ্ত হই তখন, কেনো;? তুমি নিখোঁজ, হৃদয় তোমার সন্ধানে, শূন্য মন কি দু’পায়ে পড়িবে নুপুর?  তুমি বিহীন মনে হবে শ্যাওলা জমা ওই পরিছন্ন পুকুর। যখন আমি থাকবো না, সময়ের অদ্ভুত নিয়মে, তখন কি সুখ খুঁজবে?বেছে থাকার সুদীর্ঘ মর্মে। না! মৃত হৃদয় নিয়ে কাটিয়ে দিব অনায়াসে এ জীবন, ভাবনায় রব সারাক্ষণ,  কখন আমি অদ্ভুত নিয়মে তোমার দেশে করিবো ভ্রমন। এতো মায়া?  হ্যা;  সত্যিই তোমার তুলনা কেবল তুমিই!  ~ শাহাদাৎ খান
অনুপমা  জি? হৃদয়ে দা দা করার অনুভূতি কেমন? তুমি দুরে, কাছে পাওয়ার তৃষ্ণা যেমন ; আচ্ছা!  অকালে ঝরে পড়া পাতার মতো ওপারে করেছি গমন, তখন তোমার অনুশোচনা হবে কেমন? অভিমুখে হারিয়ে ফেলার যন্ত্রণা যেমন; ~ শাহাদাৎ খান
হঠাৎ কোনো কুয়াশা নামা বিকেলে আড়াল থেকে দেখে নিব আপনাকে  তারপর যেতে যেতে বহুদূর, কুড়িয়ে নিব ফুল ভেবে, পেছনে ফেলে আসা ভুলগুলোকে।  আমাদের আবারও দেখা হোক কোনো এক অধিকারহীন সংলাপে  মুছে যাক সবটা, হারিয়ে যাক স্মৃতি গুচ্ছ কোনো এক অনাকাঙ্ক্ষিত অভিশাপে।  ~ শাহাদাৎ
কিছু মনখারাপে কোনো সান্ত্বনা হয়না, আপনাকে নিজে নিজেই শান্ত করতে হবে সেই মনখারাপকে কিছু মনখারাপ চারিদিক করে তুলো অন্ধকার ও বিস্তীর্ণ। আপনি যতচেষ্টা করেন না কেনো, কে শুনে কার কথা মনখারাপ ও মনখারাপই।  কিছু মনখারাপ নিরবে ভাসা বাঁধে হৃদয়ে, যতই তা থেকে আড়াল হতে চাইবেন, ততই সে আপনাকে পরিনত করবে অনাকাঙ্ক্ষিত মনখারাপে। ~ শাহাদাৎ ( অপ্রকাশিত মনখারাপে অভিশপ্ত)🥀
তখন শীতকাল  আমার জানালায় চাঁদ এসেছিলো সেদিন, আপনি এসেছিলেন যেদিন,  অদ্ভুত এক মায়ার বিবর্তন  আজ শীতের মৌসুমে  জালানায় চাঁদ আসে, কিন্তু আপনি আসেন না।  ~ শাহাদাৎ ( আপনার আসার অপেক্ষায় আমি জানালায় চাঁদের সন্ধান করি ) 🥀
থাকার আশায়  আ মি করলাম বিসর্জন চলে যাবার সময়  আপনি চাইলেন নির্বাসন। ~ শাহাদাৎ ( নিস্তব্ধতার দীর্ঘশ্বাস) 🖤🥀
 বুঝলে না, আমার নিরবতা, বুঝলে না, আড়ালে থাকা সরলতা, না বুঝলে অগভীরের রক্তক্ষরণ  না বুঝলে ক্ষত, খুঁজলে হারিয়ে যাওয়া আর স্মৃতিচারণ।  ~ শাহাদাৎ ( নিরব দৃষ্টি নির্বাক)
  আমি যদি কখনও চলে যাই,, ভেবে নিও তোমার সুখের চিন্তা করে, করেছি আড়াল নিজেকে  যদি হই কবু নিস্তব্ধ ভেবে নিও তুমি শূন্য আমিটা আপন করেছি বিশালতাকে। ~ শাহাদাৎ
  শীতের আচমকা ঠান্ডা হাওয়া যেনো শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়।   মনে করিয়ে দেয় গ্রামের খোলা আকাশের নিচে বিশাল বিস্তৃত মাঠকে। একা বসে সূর্য অস্ত উপভোগ, সুদুরে কুয়াশার আবরণ যেনো আজ কেবল স্মৃতি আর মায়া।  ~ শাহাদাৎ
  এইযে, শুনছেন ;  হ্যা; শুনছি বলো  সময়ের মাঝে ভুল বোঝাবুঝিতে আমি কেঁদেছি,  কিন্তু আপনাকে কাঁদতে দেখিনি কখনও।  আচ্ছা তবে কি ; আমি হারিয়ে গেলে আপনি কান্না করবেন.? লেখক; আমি কান্না করিনা, তবে এক সমুদ্র মনখারাপ বুকে বয়ে পাগলের মতো এপথ ওপথ ধরে ছুটতে থাকবো। ~ শাহাদাৎ ( চোখের ঝর্ণা শুকিয়ে গেছে)
  এক সমুদ্র মনখারাপ চাপা দিয়ে দিব্যি হেঁসে যাচ্ছি,  ক্ষনে ক্ষনে হই নির্বাক, নিস্তব্ধ, চারপাশটা জুড়ে শুধু নিরবতা। ক্লান্তি গুলো আমার নিত্যদিনের স্বরচিত কবিতা।  ~ শাহাদাৎ  🥀 ( ভালো থাকুক ভালো মানুষেরা )
 সে বিচ্ছেদ চাইলো  আমায় ভালো থাকতে কইলো  তাহার নতুন ঠিকানা হইলো  সব হারানো আমার, বাকি কি রইলো?  বিশালতার মাঝে স্মৃতিতে তার অবস্থান এই কোলাহলের শহরে আমার অপূর্ণ এক শূন্য__স্থান।  ~ শাহাদাৎ